1. admin@dainikbarishalpotro.com : admin :
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
শারদীয় দুর্গোৎসবে সম্প্রীতি ও নিরাপত্তার বার্তা নিয়ে বরিশালের পূজামণ্ডপে বিএমপি কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্। নেত্রকোণায় গুলি করে সাংবাদিক হত্যা, ঢাকা মেট্রোপলিটন প্রেস ক্লাব র নিন্দা ও উদ্বেগ প্রকাশ নেত্রকোণায় গুলি করে সাংবাদিক হত্যা, বাংলাদেশ অনলাইন সংবাদপত্র ও সাংবাদিক ইউনিয়নের নিন্দা ও উদ্বেগ প্রকাশ নেত্রকোণায় গুলি করে সাংবাদিক হত্যা, সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের নিন্দা ও উদ্বেগ প্রকাশ দক্ষিণ বঙ্গের সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান পরিবহন সাকুরা ! দেখলেই জনমনে আতঙ্ক বিআরটিসির চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির ভয়াবহ তথ্য তুলে ধরনের শ্রমিক-কর্মচারীরা বরিশাল পুলিশ হাসপাতালে নার্সিং ইনচার্জের বিরুদ্ধে রোগীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ বিআরটিসি শ্রমিক ও কর্মচারী ইউনিয়ন (রেজি: নং বি-৮৫৩)-এর নাম ও প্যাড ব্যবহার করে নেতৃত্বের পরিচয় প্রদান এবং কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন ও মানহানিকর অভিযোগ উত্থাপনের প্রতিবাদ বরিশালে শেবাচিমে পূবালী ব্যাংকের সেলফ সার্ভিস সেন্টার উদ্ভোধন ও সৌন্দর্যবর্ধন শ্রমিক-কর্মচারীদের বিক্ষোভের মুখে বিআরটিসি চেয়ারম্যানের ন্যাক্কারজনক বিদায়, সিন্ডিকেট নির্মূলের দাবি

অসহায় হেলেনার পাশে ইউএনও ফরিদা, উপহার পেলেন রেইনকোট-মোবাইল-খাবার

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
  • ৭১ বার পঠিত

অসহায় হেলেনার পাশে ইউএনও ফরিদা, উপহার পেলেন রেইনকোট-মোবাইল-খাবার

বরিশাল নগরীতে তিন কন্যার জননী, স্বামীহারা অসহায় নারী রিকশাচালক হেলেনা বেগমের পাশে দাঁড়িয়েছেন বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছা. ফরিদা সুলতানা। জীবিকার তাগিদে রিকশার হ্যান্ডেল ধরে ছুটে চলা এই নারীর কষ্টের কথা জানতে পেরে তাঁকে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন ইউএনও।

মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) হেলেনা বেগমকে নিজের কার্যালয়ের কক্ষে ডেকে নেন ইউএনও ফরিদা সুলতানা। সেখানে তাঁর হাতে একটি রেইনকোট, একটি বাটন মোবাইল ফোন ও কিছু শুকনো খাবার তুলে দেওয়া হয়।

তিন কন্যাকে নিয়ে হেলেনা বেগমের জীবন চলে নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে। স্বামীহারা এই নারী সংসারের হাল ধরেছেন নিজেই। পরিবারের ভরণপোষণের জন্য অন্যের কাছে হাত না পেতে রিকশা চালিয়ে উপার্জন করছেন তিনি। বৃষ্টি-রোদ উপেক্ষা করে প্রতিদিন জীবিকার সন্ধানে ছুটতে হয় তাঁকে।

এমন বাস্তবতায় একটি রেইনকোট তাঁর জন্য শুধু একটি উপহার নয়, বরং প্রতিকূল আবহাওয়ায় জীবিকা চালিয়ে যাওয়ার কিছুটা নিরাপত্তা। একইভাবে একটি মোবাইল ফোন ও শুকনো খাবারও তাঁর দৈনন্দিন জীবনে সামান্য হলেও স্বস্তি এনে দেবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ইউএনও ফরিদা সুলতানার এমন উদ্যোগকে মানবিক ও প্রশংসনীয় হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা। তাঁদের মতে, প্রশাসনের দায়িত্বশীল একজন কর্মকর্তার এমন মানবিক উদ্যোগ অসহায় মানুষের প্রতি সমাজের অন্যদেরও সহমর্মী হতে উৎসাহিত করবে।

হেলেনা বেগমের মতো অসহায় মানুষের পাশে প্রশাসন ও সমাজের বিত্তবানরা এগিয়ে এলে তাঁদের জীবনসংগ্রাম কিছুটা সহজ হবে—এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয়দের।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬ দৈনিক বরিশাল পত্র
Theme Customized By Shakil IT Park