1. admin@dainikbarishalpotro.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৪:০৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বরিশাল সদর উপজেলা বিএনপি ত্যাগের রাজনীতিতে আস্থার নাম নুরুল আমিন সুখী-সমৃদ্ধ বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী উত্তরায় গাড়ি চাপায় দুই সাংবাদিকের মৃত্যু নথুল্লাবাদ উড স্ট্যান্ডে মাইক্রোবাস সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য: ‘এক ভাড়া’ বলে ডেকে আদায় করা হচ্ছে দ্বিগুণ, মূলহোতা শিপন! শত কোটি টাকার দুর্নীতির! বরপুত্র আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সিন্ডিকেটের অন্যতম মহা নায়ক বতর্মানে (সওজ)র প্রধান প্রকৌশলী এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক অবরোধ বাকেরগঞ্জে নদীর চর থেকে মাটি কাটছে হরদমে উপজেলা সব ম্যানেজ বরিশাল জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসে বিশ্বস্ত দালালের মাধ্যমে নিশ্চিন্তে ঘুষ বাণিজ্য করছেন এস ও রতন ও সার্ভেয়ার ফারুক। নানান অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো: তারেক আনোয়ার জাহেদী বিরুদ্ধে বরিশালে প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতার সফর ঘিরে নেতাকর্মীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস

প্যানেল চেয়ারম্যানের একপাক্ষিক সালিশ, মুক্তিযোদ্ধার সম্পদ বণ্টন নিয়ে বিরোধের অভিযোগ

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬
  • ১৮ বার পঠিত

প্যানেল চেয়ারম্যানের একপাক্ষিক সালিশ, মুক্তিযোদ্ধার সম্পদ বণ্টন নিয়ে বিরোধের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক✍️
প্রকাশিত সময় মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬

সরকারি বরাদ্দে পাওয়া এক বীর মুক্তিযোদ্ধার ঘর নিয়ে বরিশালের রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়নে উত্তরাধিকার বিরোধকে কেন্দ্র করে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদ হাওলাদার একপাক্ষিক সালিশের মাধ্যমে বড় ছেলের কাছে ঘরের মালিকানা বুঝিয়ে দিয়েছেন। এতে অপর দুই সন্তান ও দ্বিতীয় স্ত্রী বঞ্চিত হয়েছেন বলে দাবি করেছে পরিবার। যদিও অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন প্যানেল চেয়ারম্যান।

স্থানীয় সূত্র জানায়, মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আমজাদ আলী ফকির সরকারি উদ্যোগে একটি ঘর পেয়েছিলেন। তার মৃত্যুর পর দুই ছেলে, এক মেয়ে এবং দ্বিতীয় স্ত্রী বৈধ উত্তরাধিকারী হিসেবে সম্পত্তির অংশীদার হন। অভিযোগকারী পরিবারের ভাষ্য, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা অনুযায়ী এ ধরনের সম্পদ সব উত্তরাধিকারীর মধ্যে সমানভাবে বণ্টিত হওয়ার কথা।

অভিযোগ রয়েছে, গত ১৯ জুন স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত সালিশে বড় ছেলে শাহ আলমের পক্ষেই একক সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়। স্থানীয় বাসিন্দা মনসুর হাওলাদারসহ কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শীর দাবি, অন্য উত্তরাধিকারীদের বক্তব্য যথাযথভাবে বিবেচনা করা হয়নি। একই সঙ্গে তারা অভিযোগ করেন, সিদ্ধান্তের আগে শাহ আলমের কাছ থেকে অর্থ গ্রহণ করা হয়েছিল।

এদিকে ছোট ছেলে গোলাম মোস্তফা জানান, তিনি সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা উত্তরাধিকারীদের সমান অংশ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তারপরও সালিশের মাধ্যমে বড় ভাইকে এককভাবে ঘর বুঝিয়ে দেওয়ায় তিনি, তার বোন এবং তাদের সৎমা বঞ্চিত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেন।

তবে প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদ হাওলাদার বলেন, তিনি কোনো ঘুষ নেননি। তার দাবি, মরহুম মুক্তিযোদ্ধা জীবদ্দশায় বড় ছেলের ছেলেকে ঘরটি দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। সেই বক্তব্য এবং উপস্থিত কিছু সাক্ষীর মতামতের ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা ঘটনাটির নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬ দৈনিক বরিশাল পত্র
Theme Customized By Shakil IT Park